মাত্র আট দিনের মাথায় কাঠ ব্যবসায়ী জাইদুল মোল্লা হত্যার রহস্য উদঘাটন করলো পিবিআই - Pabnar Somoy

ছবি: পাবনার সময় 

মীর্জা অপু,পাবনা 

পাবনার আতাইকুলা থানা এলাকার তেবাড়িয়া গ্রামের জনাব খাঁর বটতলায় কাঁচা রাস্তার পার্শবর্তী ঝোপের একটি লাশ তথ্য পেয়ে পিবিআই পাবনার পুলিশ সুপার মোমতাজুল এহসান আহাম্মদ হুমায়ন,বিপিএম,পিএসসি এর দিক নির্দেশনায় পুলিশ পরিদর্শক আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি চৌকস ক্রাইম টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছিয়ে হত্যার রহস্য উদঘাটনে ছায়া তদন্ত শুরু করে।

ছবি : সংগ্রহীত
ছায়া তদন্তে জানা যায় ভিকটিম জাইদুল মোল্লা (৫৩) তিনি পেশায় একজন কাঠ মিস্ত্রী ছিলেন।ক্লুলেস হত্যার রহস্য উদঘাটনের জন্য তথ্য প্রযুক্তি বিশ্লেষণ করে মামলার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়ে হত্যায় জড়িত সন্দেহে আতাইকুলা থানা এলাকার গয়েশবাড়ী শাহাপাড়া গ্রামের মৃত ইসমাইল খাঁর ছেলে আকরাম হোসেনকে আটক করা হয়।জিজ্ঞাসাবাদ চলাকালে আকরাম ভিকটিম জাইদুলকে হত্যা করার সাথে সরাসরি জড়িত থাকার বিষয়ে তথ্য প্রদান করেন এবং অন্যান্য আসামিদের নাম ঠিকানা প্রকাশ করে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করে।আসামি পেশায় একজন মাটিকাটা ট্রলিগাড়ির ড্রাইভার।পলাতক আসামি রুবেল সম্পর্কে তার ভাগিনা হয়।পলাতক আসামি রুবেল সর্বহারা দলের আত্মসমর্পণকারী একজন সদস্য।তদন্তে জানা যায় আসামি টিপুর সাথে ভিকটিম জাইদুলের পূর্ব শত্রুতা ছিলো।পূর্ব শত্রুতার জের ধরেই আসামী টিপু জাইদুলকে হত্যা করার লক্ষে রুবেল ও আকরামকে অর্থের বিনিময়ে কন্ট্রাক করে।

পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী অত্র মামলার ঘটনার দিন ইং ০৮ এপ্রিল বিকেলে আসামী টিপু, রুবেল ও সিহাবগণ একত্রে হত্যার কৌশল ও স্থান নির্ধারণ করে। একই দিন রাত্রি অনুমান ০৮.৩০ মিনিটের সময় ভিকটিম জাইদুলকে আসামীগণ কৌশলে সিলন্দা এলাকা হতে মটরসাইকেল যোগে অত্র ঘটনাস্থল আতাইকুলা থানার জনাব খাঁর বটতলা নামক স্থানে নিয়ে গিয়ে আসামী টিপু, রুবেল এবং আকরাম ধারালো অত্র দ্বারা কুপিয়ে জখম করে ভিকটিম জাইদুলকে হত্যা করে রাস্তার ধারে ফেলে রাখে। এরপর টিপু এবং রুবেল রাস্তার উপরে থাকা রক্তগুলো পরিষ্কার করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।মামলায় তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

0/Post a Comment/Comments