![]() |
| ছবি: পাবনার সময় |
স্টাফ রিপোর্টার:
পাবনার সাঁথিয়ায় ৫ আগস্টের পর আলাউদ্দিনের চেরাগ পেয়ে রাতা রাতি ভাগ্য পরিবর্তন হলো জামাত নেতা মেহেদী হাসানের । সে সাঁথিয়া উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ও যুব জামায়াতের সভাপতি। ৫ আগস্টের আগে যার কোনমতে দিনপাত চললেও এখন সে ৫ তলা বাড়ির মালিক।
জানা যায়, পাবনা জেলার সাঁথিয়া উপজেলার ধোপাদহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আয়নাল ফকিরের ৮ ছেলেমেয়ের মধ্যে মেহেদী হাসান সবার ছোট।মেহেদী হাসান ৫ আগষ্টের আগে তার কোনমতে দিনপাত চলতো। বর্তমান সে ৫ তলা বিল্ডিং এর ফাউন্ডেশন দিয়ে দোতলা বিল্ডিং প্রায় সম্পন্ন করেছে । এতে এলাকায় জল্পনাকল্পনা চলছে সে কি আলাউদ্দিনের চেরাগ পেলেন নাকি? খবর নিয়ে জানা যায়, মেহেদী হাসান সাঁথিয়া উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ও যুব জামায়াতের সভাপতি সর্বপরি উপজেলা আমীরের ঘনিষ্ঠ হওয়ায় আওয়ামী লীগ নেতাদের মামলা হামলার ভয় দেখিয়ে ব্যাপক চাঁদাবাজি করেছে। এ ছাড়া অফিস আদালত থেকেও জামায়াতের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে । তার বাবা আওয়ামী লীগ নেতা হওয়ায়, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তার কাছে আশ্রয় নিয়েছে আর সেই সুযোগের সদ ব্যবহার করে তাদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদাবাজি করেছে।
এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, তার বাবা ধোপাদহ ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন এবং তার পুরো পরিবারের সবাই আওয়ামী লীগ করেন। এই পরিবারের একমাত্র মেহেদী হাসানই জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সাথে জড়িত। মেহেদী হাসান সাঁথিয়া উপজেলা জামায়াতের আমীরের আস্থাবাজন হওয়ায় কেউ তাকে কিছু বলতে সাহস পায় না। এ সুযোগে মেহেদী হাসান অফিস আদালত এবং আওয়ামী লীগের লোকজনের কাছ থেকে ব্যাপক চাঁদাবাজি করতে সাহস পেয়েছে। মেহেদী জামায়াতের প্রতিটি অনুষ্ঠানে সিনিয়র নেতাদের পেছনে রেখে সামনের সারিতে একাই গিয়ে বসে পড়লেও কেও কোন প্রকার প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না । এ ছাড়া উপজেলা আমীর অলিখিত ভাবে থানা ও উপজেলার সব কাজ তাকে দিয়ে করিয়ে থাকেন। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে থানায় দালালি, উপজেলার সকল অফিসে নানা তদবির এবং আওয়ামীলীগের নেতা -কর্মীদের মামলার ভয় দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজি করে চলছে। তিনি উপজেলা আমীর এর আর্শীবাদপুষ্ট হওয়ায় অলিখিতভাবে উপজেলা বায়তুলমালের টাকা উঠালেও এবং সে টাকা নয়-ছয় করায় তার বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ উঠেছে। তাছাড়া তার বিরুদ্ধে নারী ঘটিত নানা মুখরোচক গল্প এলাকায় শোনা যায়।
সাঁথিয়া উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ও যুব জামায়াতের সভাপতি মেহেদী হাসান বলেন, এলাকার যারা অভিযোগ দিয়েছে তারা আমাদের বাসায় কামলা দিয়ে খাইতো। আমার বাবা কখনো আওয়ামী লীগ করেননাই।উপজেলার কোন মানুষ যদি বলতে পারে আমি কারো কাছে থেকে ১০টা টাকা মেরে খেয়েছি তাহলে আমি রাজনীতিই ছেড়ে দেবো।
সাঁথিয়া উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মোকলেছুর রহমান বলেন,অভিযোগ যারা দিয়েছে তারা প্রমাণসহ উপস্থাপন করুক। আমরা যাচাই করে দেখব।

Post a Comment